বরগুনা সদর উপজেলা প্রতিনিধি: বরগুনা সদর উপজেলার ৭ নম্বর ঢলুয়া ইউনিয়নের বড়পোটকাখালি এলাকায় পারিবারিক দ্বন্দ্বের জেরে মো. ফোরকান (নিহত) নামে এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। গত বুধবার (৫ আগস্ট) রাতে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাকে কুপিয়ে ফেলে রাখার একটি ভিডিও ভাইরাল হয় -
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সামান্য মোটর চুরি এবং ছাগলে ধান খাওয়াকে কেন্দ্র করে পারিবারিক বিরোধের জেরে দুই চাচাতো ভাইয়ের মধ্যে সংঘর্ষের একপর্যায়ে উপস্থিত তাদের জামাতা মো. ফোরকান গুরুতর আহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে বরগুনা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। স্থানীয় কয়েকজন জানান, সামান্য বিষয় নিয়ে দুই ভাইয়ের ঝামেলায় পরিস্থিতি শান্ত করার উদ্দেশ্যে জামাতা ফোরকান সেখানে উপস্থিত হন, কিন্তু আক্রোশের জেরে তাকে কুপিয়ে জখম করে ফেলে রাখা হয়!! নিহত ফোরকানের বাড়ি বরগুনা সদর উপজেলার ২ নম্বর গৌরীচন্না ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বেতবুনিয়া গ্রামে বলে জানা গেছে,,
হত্যার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক বরগুনা সদর হাসপাতালে ছুটে যান বরগুনা জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ফজলুল হক মাস্টার, বরগুনা সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট ওয়াসী মতিন এবং গৌরীচন্না ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট রুহুল আমিন। তারা নিহতের স্বজনদের প্রতি সমবেদনা জানান এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানান -
ঘটনার পর স্থানীয় ও মাল্টিমিডিয়ার সাংবাদিকরা সরেজমিনে বরগুনা সদর হাসপাতাল পরিদর্শন করে নিহতের স্বজন ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে এসব বিষয় জানতে পারেন। পুরো হাসপাতালজুড়ে স্বজনদের আহাজারি ও শোকের পরিবেশ বিরাজ করছিল। ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আলামত সংগ্রহ করছে এবং তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে। তবে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। আশা করা যাচ্ছে আগামীকাল বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশ হবে।
স্থানীয়দের দাবি, সামান্য পারিবারিক কলহকে কেন্দ্র করে এ ধরনের মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ড অত্যন্ত দুঃখজনক। তারা ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, এই প্রতিবেদনে স্থানীয় সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে।।
দৈনিক শেষকথা Seshkatha News