গত সোমবার (৯ মার্চ) বরগুনা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের জেলা ও দায়রা জজ মো. ওসমান গনি মামলাটি গ্রহণ করে বেতাগী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে এজাহার রুজু করার নির্দেশ দেন।
মামলার বাদী জানান, ২০১৫ সালে মো. নুরুল ইসলামের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে বিভিন্ন সময় বাবার বাড়ি থেকে টাকা এনে স্বামীকে দিয়েছেন তিনি। তবে এরপরও তার স্বামী দুই লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে আসছিল।
বাদীর অভিযোগ, চলতি মাসের ৫ মার্চ সকাল ১১টার দিকে নুরুল ইসলাম ও তার বোন রেশমা বাদীর ভাইয়ের বাড়িতে এসে পুনরায় দুই লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। এ সময় তিনি টাকা দিতে অস্বীকার করলে তর্কের একপর্যায়ে স্বামী উত্তেজিত হয়ে দা দিয়ে তাকে কোপ দেন। আত্মরক্ষার চেষ্টা করলে তার বাম হাতের তালুতে গুরুতর রক্তাক্ত জখম হয়।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, যৌতুকের দুই লাখ টাকার জন্য তার স্বামী ও ননদ দীর্ঘদিন ধরে তাকে মানসিক ও শারীরিকভাবে নির্যাতন করে আসছিলেন। এমনকি একাধিকবার তাকে ভাইয়ের বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয় এবং সেখানে গিয়েও স্বামী তর্ক ও হিংস্র আচরণ করেন।
অন্যদিকে অভিযুক্ত নুরুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমার স্ত্রী আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করেছে। আমি এই মামলা সম্পর্কে আগে কিছু জানতাম না।”
বরগুনা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিশেষ পিপি রনজুয়ারা সিপু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ঘটনার সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন বলে জানা গেছে।
দৈনিক শেষকথা Seshkatha News