তালতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি: বরগুনার তালতলী উপজেলার আদর্শ বেহালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্ষুদ্র মেরামত ও শ্রেণীকক্ষ নির্মাণকাজে অনিয়ম এবং সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা কান্তা রানীর বিরুদ্ধে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিদ্যালয়ের ক্ষুদ্র মেরামত কাজের জন্য সম্প্রতি উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং নতুন শ্রেণীকক্ষ নির্মাণের জন্য আরও ৩ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। অভিযোগ রয়েছে, বরাদ্দকৃত অর্থের তুলনায় খুবই সীমিত কাজ সম্পন্ন করা হলেও কাগজপত্রে অধিক ব্যয় দেখানো হয়েছে। সরেজমিনে দেখা যায়, ক্ষুদ্র মেরামত প্রকল্পের আওতায় একটি আলমারিতে রং করা এবং বিদ্যালয়ের ভেতরের একটি ছোট রাস্তা সংস্কারের কাজ করা হয়েছে। এ কাজের জন্য প্রায় ৭০ হাজার টাকা ব্যয় দেখানো হলেও স্থানীয়দের দাবি, প্রকৃত খরচ এর চেয়ে অনেক কম। এছাড়া শ্রেণীকক্ষ নির্মাণকাজে নতুন উপকরণের পরিবর্তে পুরোনো ও ব্যবহৃত সামগ্রী ব্যবহার করা হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।
অভিভাবক ও স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়ের উন্নয়ন খাতের বরাদ্দে অনিয়ম হয়ে আসছে। তারা এ ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। তবে অভিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা কান্তা রানী অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী সব কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। উপজেলা শিক্ষা অফিস এ বিষয়ে অবগত রয়েছে।”
স্থানীয় সচেতন মহল সরকারি অর্থের সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত করতে অভিযোগগুলোর দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছে।
দৈনিক শেষকথা Seshkatha News