বরগুনা জেলা প্রতিনিধি: বরগুনা সদর উপজেলার আন্ধার মানিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. জুয়েল মিয়ার বিরুদ্ধে প্রায় দেড় বছর বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থেকেও হাজিরা খাতায় নিয়মিত উপস্থিতি দেখিয়ে বেতন-ভাতা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে- বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, প্রধান শিক্ষক অবসরে যাওয়ার পর থেকে পদটি শূন্য রয়েছে। বর্তমানে চারজন সহকারী শিক্ষক থাকলেও জুয়েল মিয়া দীর্ঘদিন ধরে উপজেলা শিক্ষা অফিসের দাপ্তরিক কাজে নিয়োজিত থাকায় বিদ্যালয়ে পাঠদান করছেন না। এতে শিক্ষক সংকটে ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষার্থীদের পাঠদান। বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি ও অভিভাবকদের অভিযোগ, শিক্ষক সংকটের মধ্যে একজন শিক্ষককে অন্য দপ্তরের কাজে ব্যবহার করা কোনোভাবেই যৌক্তিক নয়। দ্রুত তাকে বিদ্যালয়ে ফিরিয়ে নিয়মিত পাঠদানের ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন তারা। একই সঙ্গে দীর্ঘদিন বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকা সত্ত্বেও হাজিরা খাতায় নিয়মিত উপস্থিতি দেখানোর বিষয়টি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগের বিষয়ে শিক্ষক জুয়েল মিয়া বলেন, শিক্ষা কর্মকর্তাদের নির্দেশেই তিনি অফিসের কাজে দায়িত্ব পালন করছেন। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা নির্দেশ দিলে তিনি বিদ্যালয়ে ফিরে যাবেন। বরগুনা সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা লায়লা জেরিনা আক্তার বলেন, অফিসে কম্পিউটারভিত্তিক কাজ করার লোকবল না থাকায় প্রয়োজনীয় দাপ্তরিক কাজ জুয়েল মিয়াকে দিয়ে করানো হচ্ছে। এ বিষয়ে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে আবেদন করেও কোনো ফিডব্যাক পাননি বলে জানান তিনি। এদিকে বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকটের কারণে শিক্ষার্থীদের পাঠদান যাতে ব্যাহত না হয়, সে জন্য দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন অভিভাবক ও স্থানীয়রা।
বরগুনায় স্কুলে অনুপস্থিত থেকেও নিয়মিত বেতন ও হাজিরা নিচ্ছেন জুয়েল মিয়া!
- প্রকাশের সময় : Aug 21, 2026 ইং
ছবির ক্যাপশন: বরগুনায় স্কুলে অনুপস্থিত থেকেও নিয়মিত বেতন ও হাজিরা নিচ্ছেন জুয়েল মিয়া!
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
দৈনিক শেষকথা Seshkatha News