বরগুনা সদর উপজেলা প্রতিনিধি: বরগুনা শহরের একটি ডিমের দোকানে নকল ডিম পাওয়ার খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় জনমনে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে যাচাই ছাড়া কোনো ডিমকে নকল হিসেবে চিহ্নিত না করে পরীক্ষাগারের প্রতিবেদন পাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করার আহ্বান জানিয়েছে উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতাল, বরগুনা সদর।
দাপ্তরিক ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, ডিমের রং, কুসুমের গঠন কিংবা জেলির মতো বৈশিষ্ট্য বিভিন্ন প্রাকৃতিক ও সংরক্ষণজনিত কারণে পরিবর্তিত হতে পারে। তাই শুধু বাহ্যিক বৈশিষ্ট্য দেখে ডিমকে কৃত্রিম বা নকল বলা বৈজ্ঞানিকভাবে যথাযথ নয়। সন্দেহজনক ডিম প্রয়োজনে মাননিয়ন্ত্রণ পরীক্ষাগারে (কিউসি ল্যাব) পাঠানো হবে। প্রাণিসম্পদ দপ্তর আরও জানায়, ডিম উচ্চমানের প্রোটিনসমৃদ্ধ পুষ্টিকর খাবার। একটি মাঝারি আকারের ডিমে প্রায় ৬ গ্রাম প্রোটিন থাকে। তাই গুজবে আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন থাকার এবং নির্ভরযোগ্য তথ্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
প্রচারণায়: উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতাল, বরগুনা সদর, বরগুনা।
দৈনিক শেষকথা Seshkatha News