আমতলী প্রতিনিধি: বরগুনার আমতলীর গাজীপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. শাহীন মাহমুদের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি, অর্থ আত্মসাৎ, অতিরিক্ত ফি আদায় ও জাল স্বাক্ষরে রেজুলেশন তৈরির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় গত ১৮ অক্টোবর পটুয়াখালী দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারী, অভিভাবক ও স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি। অভিযোগে বলা হয়েছে, বিদ্যালয়ের সরকারি অনুদান, ভর্তি ও পরীক্ষার ফি, কোচিংয়ের অর্থ এবং বিভিন্ন তহবিলের টাকা ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম হয়েছে। এ ছাড়া শিক্ষকদের ফাঁকা রেজুলেশন খাতায় স্বাক্ষর দিতে বাধ্য করা, বোর্ড নির্ধারিত ফির অতিরিক্ত অর্থ আদায়, বিদ্যালয়ের অর্থ ব্যক্তিগতভাবে ব্যয় এবং সাবেক সভাপতির স্বাক্ষর জাল করে টাকা উত্তোলনের অভিযোগও করা হয়েছে। সততা স্টোরের জন্য বরাদ্দ অর্থ ও সাবেক সভাপতির দেওয়া দাতা সদস্যের অনুদানের হিসাব নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে।
অভিযোগকারীদের দাবি, এসব অনিয়মের কারণে বিদ্যালয়ের আর্থিক স্বচ্ছতা ও শিক্ষার পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তাঁরা অভিযোগগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। তবে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. শাহীন মাহমুদ তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। আমতলী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. টিপু সুলতান জানান, অভিযোগের কপি পেয়েছেন এবং তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বিষয়ে আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান মো. হাফিজুর রহমান বলেন, দুদকে দেওয়া অভিযোগের একটি অনুলিপি তিনি পেয়েছেন। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
দৈনিক শেষকথা Seshkatha News