বিশেষ প্রতিবেদন: বঙ্গোপসাগরে বরগুনার মাছ ধরার ট্রলার "এফবি বরকত" ডুবে নিখোঁজ জেলেদের দ্রুত উদ্ধারে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ ও বরগুনা-২ আসনের চারবারের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব নূরুল ইসলাম মনি: তিনি জানিয়েছেন, নিখোঁজ জেলেদের উদ্ধারে উদ্ধার অভিযান জোরদার করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং তিনি নিজেও বিষয়টি তদারকি করছেন ---
গতকাল রাতে বরগুনার সাংবাদিকদের দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ বলেন, নিখোঁজ জেলেদের উদ্ধারে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চলছে। তিনি জানান, ট্রলারডুবির ঘটনায় ১৩ জেলের মধ্যে আটজনকে ইতোমধ্যে উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজ পাঁচ জেলের মধ্যে একজনের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। বাকি চার জেলেকে উদ্ধারে অনুসন্ধান অব্যাহত রয়েছে। এর আগে গত সোমবার বৈরী আবহাওয়ার কারণে কুয়াকাটা থেকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে গভীর বঙ্গোপসাগরে ১৩ জেলেসহ এফবি বরকত ট্রলারটি ডুবে যায়। আটজন জেলে সাঁতরে অন্য একটি ট্রলারে উঠতে সক্ষম হলেও পাঁচজন নিখোঁজ হন। পরবর্তী দিন মঙ্গলবার বিকেলে উদ্ধারকারী দল ডুবে যাওয়া ট্রলারের কাছ থেকে "সাইকুল মীর" নামে এক জেলের মরদেহ উদ্ধার করে। তিনি পাথরঘাটা উপজেলার গহরপুর গ্রামের বাসিন্দা। উদ্ধারকারী দল জানিয়েছে, ডুবে যাওয়া ট্রলারটির অবস্থান শনাক্ত করা হয়েছে। তবে বৈরী আবহাওয়ায় সাগর উত্তাল থাকায় ট্রলারের ভেতরে তল্লাশি চালানো পুরোপুরি সম্ভব হয়নি। আবহাওয়া কিছুটা অনুকূলে এলে ডুবুরি দিয়ে ট্রলারের ভেতরে অনুসন্ধান চালানো হবে।
চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি নিখোঁজ জেলেদের পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়ে বলেন, ধর্ম-বর্ণ ও দলমত নির্বিশেষে অসহায় জেলেদের পাশে তিনি সবসময় থাকবেন এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবেন। একই সঙ্গে নিখোঁজ জেলেদের দ্রুত উদ্ধারে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
দৈনিক শেষকথা Seshkatha News