লন্ডন প্রতিনিধি : বিলেতে বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির প্রসারে চার দশকের বেশি সময় ধরে অবদান রেখে চলেছেন প্রবীণ সমাজসেবক ও সংগঠক মোহাম্মদ আব্দুল রহিম (এম এ রহিম, সিআইপি)। লন্ডনের স্পিটালফিল্ডস ও ব্রিক লেন এলাকায় বাংলা ভাষার দৃশ্যমান উপস্থিতি, শিক্ষা বিস্তার এবং নতুন প্রজন্মের মধ্যে মাতৃভাষার চর্চা প্রসারে তাঁর ভূমিকা উল্লেখযোগ্য। টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের নির্বাচিত কাউন্সিলর হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে বাংলা ভাষাকে স্থানীয় প্রশাসন ও জনজীবনে প্রতিষ্ঠিত করার উদ্যোগ নেন তিনি। তাঁর সম্পৃক্ততায় ‘বাংলা টাউন’ পরিচিতি, সড়কের নামফলকে বাংলা ভাষার ব্যবহার এবং দ্বিভাষিক শিক্ষা কার্যক্রম প্রসারে বিভিন্ন উদ্যোগ এগিয়ে যায়। এ ছাড়া টাওয়ার হ্যামলেটস কলেজের প্রতিষ্ঠাতা গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি সেন্ট পিটার্স সাপ্লিমেন্টারি স্কুল ও বাইলিঙ্গুয়াল পেরেন্টস অ্যান্ড গভর্নর সেন্টার প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখেন। প্রবাসে ভাষা ও সংস্কৃতির প্রসারের পাশাপাশি বাংলাদেশেও শিক্ষা ও সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত রয়েছেন এম এ রহিম। ২০১০ সালে প্রতিষ্ঠা করেন আলহাজ্ব মো. মোখলেসুর রহমান ডিগ্রি কলেজ। অর্থনীতি ও সমাজসেবায় অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি একাধিকবার অনাবাসী বাংলাদেশি সিআইপি মর্যাদা পেয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রবাসে বাংলা ভাষার প্রসারে তাঁর দীর্ঘদিনের অবদান বিবেচনায় তাঁকে একুশে পদক দেওয়ার দাবি ও প্রত্যাশা উঠেছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, তাঁর কর্মকাণ্ড রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির আলোচনায় বিবেচিত হতে পারে। তবে একুশে পদক পাওয়ার বিষয়টি নির্ভর করবে সরকারের আনুষ্ঠানিক মনোনয়ন, যাচাই-বাছাই ও সিদ্ধান্তের ওপর। এখন পর্যন্ত তাঁর পদকপ্রাপ্তি বা মনোনয়নের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক তথ্য যাচাই ছাড়া নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যায় না। এম এ রহিমকে একুশে পদকে ভূষিত করা হলে তা প্রবাসে বাংলা ভাষা, শিক্ষা ও সংস্কৃতি চর্চায় অবদান রাখা ব্যক্তিদের মূল্যায়নের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হবে।
বিলেতে বাংলা ভাষা বিস্তারে এম এ রহিমের অবদান, একুশে পদকের প্রত্যাশা
- প্রকাশের সময় : Oct 28, 2026 ইং
ছবির ক্যাপশন: বিলেতে বাংলা ভাষা বিস্তারে এম এ রহিমের অবদান, একুশে পদকের প্রত্যাশা
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
দৈনিক শেষকথা Seshkatha News