আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি: এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে বরগুনার আমতলী উপজেলার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সাফল্যের দিক থেকে শীর্ষে রয়েছে আমতলী আরমান খোরশেদ (একে) সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়। জিপিএ-৫ প্রাপ্তি ও পাসের হারের দিক থেকে প্রতিষ্ঠানটি উপজেলার অন্য বিদ্যালয়গুলোর তুলনায় এগিয়ে রয়েছে।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষায় প্রতিষ্ঠানটি থেকে মোট ১৮৯ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে ১৬১ জন পাস করেছে। পাসের হার ৮৯ দশমিক ৯৪ শতাংশ। সাধারণ শাখায় ৩৪ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। পাশাপাশি কারিগরি শাখা থেকেও একজন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে।
আমতলী উপজেলার ফলাফলে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে আমতলী এমইউ মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এ প্রতিষ্ঠান থেকে এ বছর ৬৭ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ৫১ জন পাস করেছে। বিদ্যালয়টির পাসের হার ৭৫ দশমিক ৩৬ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ জন শিক্ষার্থী।
এছাড়া আমতলী মফিজ উদ্দিন বালিকা পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ২ জন, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ২ জন জিপিএ-৫ অর্জন করেছে।
অন্যদিকে কুকুয়া আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, চুনাখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়, গাজীপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং লোসা মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে একজন করে শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে।
তালতলীতে ৫৫ শিক্ষার্থী অকৃতকার্য
এদিকে বরগুনা জেলার ছয় উপজেলার মধ্যে এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে তালতলী উপজেলায়। উপজেলার লাউপাড়া সাগর সৈকত মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৫৫ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়েছে বলে জানা গেছে।
জেলার অন্য উপজেলাগুলোর তুলনায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ফলাফলে সাফল্যের পাশাপাশি হতাশার চিত্রও উঠে এসেছে। তবে পাথরঘাটা উপজেলার এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল সন্তোষজনক বলে জানা গেছে।
শিক্ষাবিদ ও সংশ্লিষ্টরা বলছেন, একটি প্রতিষ্ঠানের সার্বিক ফলাফল মূল্যায়নে শুধু জিপিএ-৫ নয়, পাসের হার, পরীক্ষার্থীর সংখ্যা এবং শিক্ষার্থীদের ধারাবাহিক একাডেমিক ফলাফলও বিবেচনায় নেওয়া জরুরি। একই সঙ্গে যেসব প্রতিষ্ঠানে অকৃতকার্যের হার বেশি, সেসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার মান, পাঠদান পদ্ধতি ও শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়ার কারণ বিশ্লেষণ করে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।
দৈনিক শেষকথা Seshkatha News