ঢাকা আজকের তারিখঃ | বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬: দৈনিক শেষকথা পত্রিকার আজকের সংস্করণ তালতলীতে জমি বিরোধে বসতঘরে আগুন দেওয়ার অভিযোগ! পাথরঘাটায় যৌতুক না দেওয়ায় স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ! আমতলী উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয় পরিদর্শনে মহাপরিচালক বামনা সাহেব বাড়ি বাজারে বণিক সমিতির উদ্যোগে পরিচ্ছন্নতা অভিযান বরগুনার উন্নয়নে প্রেসক্লাবের ২৩ দফা: সমন্বিত উদ্যোগের আশ্বাস প্রশাসনের বরগুনার আমতলীতে জমি নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ২০! বরগুনায় জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত তালতলীতে দুর্ঘটনাকবলিত ট্রলারের ১৪ জেলের পরিবারে খাদ্য সহায়তা পাথরঘাটায় এসিড মামলার বাদীকে আদালত চত্বরে প্রকাশ্য প্রাণনাশের হুমকি, সাক্ষীদের ওপরও হামলা! পাথরঘাটায় ট্রান্সপোর্ট কার্যালয় ও স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার অফিসে ইয়াবা-গাঁজা,অস্ত্র! বেতাগী মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শর্ট সার্কিট আতঙ্ক: আহত কয়েকজন বরগুনায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে খাল পাড়ে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও বৃক্ষরোপণ বামনায় ১০ পিস ইয়াবাসহ একজন গ্রেপ্তার ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর দৈনিক শেষকথা পত্রিকা গণভোটের রায় উপেক্ষা করলে সরকারকে মূল্য দিতে হবে: বরগুনায় মামুনুল হক বরগুনায় সীরাত চর্চা-২০২৬-এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী বরগুনায় ইংলিশ অলিম্পিয়াড ২০২৬-এর পুরস্কার বিতরণী LGED বরগুনার উদ্যোগে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক র‍্যালি জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ডেঙ্গু প্রতিরোধে বরগুনায় স্কাউটদের সচেতনতামূলক সভা

চারপাশে সমুদ্র: তবুও বরগুনায় মাছের সংকট!

  • প্রকাশের সময় : Jun 25, 2026 ইং
চারপাশে সমুদ্র: তবুও বরগুনায় মাছের সংকট! ছবির ক্যাপশন: চারপাশে সমুদ্র: তবুও বরগুনায় মাছের সংকট!
ad728
৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে সাগরে মিলছে না কাঙ্ক্ষিত মাছ, বরগুনায় চড়া দামে সামুদ্রিক মাছ ও ইলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরগুনা: টানা ৫৮ দিনের সরকারি নিষেধাজ্ঞা শেষে বিপুল প্রত্যাশা নিয়ে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে গিয়েও কাঙ্ক্ষিত মাছ না পেয়ে হতাশ হয়ে ফিরছেন বরগুনার পাথরঘাটার জেলেরা। ফলে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র পাথরঘাটা বিএফডিসি ঘাটে দেখা দিয়েছে মাছের তীব্র সংকট। এর প্রভাব পড়েছে বরগুনার মাছের বাজারেও। চাষের মাছের দাম তুলনামূলক স্থিতিশীল থাকলেও সামুদ্রিক মাছ ও ইলিশের দাম বেড়েছে কয়েকগুণ। ঘাট সূত্রে জানা গেছে, গত ১১ জুন মধ্যরাতে ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার পর উপকূলীয় প্রায় ৩০ হাজার জেলে শত শত ট্রলার নিয়ে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে যান। তবে অধিকাংশ ট্রলারই আশানুরূপ ইলিশ বা অন্য সামুদ্রিক মাছ ছাড়াই ঘাটে ফিরছে। প্রতিটি ট্রলারে জ্বালানি, বরফ ও রসদ বাবদ লাখ টাকার বেশি ব্যয় হলেও সেই খরচও উঠছে না বলে জানিয়েছেন জেলেরা।

বর্তমানে পাথরঘাটা বিএফডিসি ঘাটের চিত্র একেবারেই ভিন্ন। যেখানে এ সময় ট্রলারভর্তি মাছ নিয়ে আড়তগুলো সরগরম থাকার কথা, সেখানে এখন বিরাজ করছে সুনসান নীরবতা। অধিকাংশ আড়তদার, শ্রমিক ও পাইকার অলস সময় কাটাচ্ছেন। মাছের সরবরাহ কম থাকায় পাইকারি বাজারেও লেনদেন উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।

বিএফডিসি সূত্রে জানা যায়, নিষেধাজ্ঞা শুরুর আগের এক সপ্তাহে ঘাটে ৩২ দশমিক ৩৬ মেট্রিক টন ইলিশ এবং ৪৩ দশমিক ৩৪ মেট্রিক টন মিশ্র মাছ অবতরণ হয়েছিল। তখন রাজস্ব আদায় হয় ৪ লাখ ৪৩ হাজার ২৬০ টাকা। কিন্তু নিষেধাজ্ঞা শেষে এক সপ্তাহে ইলিশ নেমে এসেছে মাত্র ১২ দশমিক ১০ মেট্রিক টনে এবং মিশ্র মাছ ২১ দশমিক ২৬ মেট্রিক টনে। এ সময় রাজস্ব আদায় হয়েছে মাত্র ১ লাখ ৮০ হাজার ৮০০ টাকা। সমুদ্র থেকে ফিরে আসা জেলে করিম বলেন, দুই মাস মাছ ধরা বন্ধ থাকায় ধারদেনা করে ট্রলার নিয়ে সাগরে গিয়েছিলেন। কিন্তু মাছ না পাওয়ায় এখন তেলের খরচও উঠছে না। তার অভিযোগ, নিষেধাজ্ঞা চলাকালে কিছু অসাধু জেলে ও ট্রলার মালিক ছোট ফাঁসের জাল ব্যবহার করে অবৈধভাবে মাছ শিকার করায় মাছের পোনা ধ্বংস হচ্ছে, যার প্রভাব পড়ছে পুরো মৎস্য খাতে।
একই অভিযোগ করেন পাইকার রুবেল মিয়া। তিনি বলেন, দুই দশকের বেশি সময় ধরে বিএফডিসি ঘাটে ব্যবসা করছেন। আগে যে পরিমাণ মাছ আসত, এখন তার চার ভাগের এক ভাগও আসে না। অবৈধ ট্রলিং ও ছোট ফাঁসের জালের ব্যবহার বন্ধ না হলে ভবিষ্যতে সামুদ্রিক মাছের অস্তিত্বই হুমকির মুখে পড়বে। পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক লেফটেন্যান্ট কমান্ডার জিএম মাসুদ শিকদার বলেন, গত কয়েক বছরের তুলনায় এ বছর মাছের সরবরাহ অনেক কম। ধারাবাহিক নিম্নচাপের কারণে এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়ে থাকতে পারে। তবে আবহাওয়া স্বাভাবিক হওয়ায় সামনে মাছের উৎপাদন বাড়বে বলে তিনি আশাবাদী। এদিকে মাছের সরবরাহ কমে যাওয়ায় বরগুনার বাজারে সামুদ্রিক মাছের দাম কেজিপ্রতি ২০০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। বিশেষ করে ইলিশের দাম এখন সাধারণ ক্রেতার নাগালের বাইরে। বাজারসংশ্লিষ্টদের আশা, বর্ষা মৌসুমে মাছের উৎপাদন বাড়লে বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরতে পারে। তবে জেলেদের দাবি, শুধু মৌসুমি নিষেধাজ্ঞা দিয়ে মাছের উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব নয়। অবৈধ ট্রলিং, ছোট ফাঁসের জাল এবং নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকারের বিরুদ্ধে কঠোর নজরদারি ও কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়বে---

নিউজটি আপডেট করেছেন : দৈনিক শেষকথা Seshkatha News

কমেন্ট বক্স
বরগুনা কলেজিয়েট বিদ্যালয়ে অর্ধবার্ষিক পরীক্ষার ফল প্রকাশ:

বরগুনা কলেজিয়েট বিদ্যালয়ে অর্ধবার্ষিক পরীক্ষার ফল প্রকাশ:

ad300