খতিবের পদত্যাগ, মুসল্লিদের দুই পক্ষের অবস্থান, পরিচালনা কমিটির ভূমিকা এবং মসজিদের সম্পদ ব্যবস্থাপনা নিয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি-
বরগুনা সদর উপজেলা প্রতিনিধি: বরগুনা সদরঘাট কেন্দ্রীয় জামে মসজিদকে ঘিরে ইমাম ও খতিবের দায়িত্ব, পরিচালনা কমিটির কর্তৃত্ব, মুসল্লিদের পারস্পরিক বিরোধ এবং মসজিদের সম্পদ ও আর্থিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে দীর্ঘদিনের মতবিরোধ নতুন করে প্রকাশ্য রূপ নিয়েছে। সর্বশেষ গত ১৯ অক্টোবর বর্তমান খতিব মুফতি গোলাম মাওলা জাহিদকে দায়িত্বে রাখা না-রাখার প্রশ্নে মুসল্লিদের দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা, বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। এ ঘটনায় মসজিদের পরিচালনা পদ্ধতি, সিদ্ধান্ত গ্রহণের বৈধতা এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের আর্থিক স্বচ্ছতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। পরিস্থিতির পর ২১ অক্টোবর রাতে মুফতি গোলাম মাওলা জাহিদ কয়েকজন মুসল্লিকে সঙ্গে নিয়ে বরগুনা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন। সেখানে তিনি তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেন। এদিকে প্রশাসনের মধ্যস্থতায় তিনি ইমাম ও খতিবের পদ থেকে অব্যাহতি চেয়ে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন বরগুনার সহকারী পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. মুকিত হাসান খাঁন।
১৯ অক্টোবরের ঘটনায় মুসল্লিদের দুই পক্ষ- স্থানীয় সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, মুফতি গোলাম মাওলা জাহিদকে খতিবের দায়িত্বে রাখা হবে কি না, তা নিয়ে মসজিদের মুসল্লিদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে অসন্তোষ চলছিল। ১৯ অক্টোবর সেই বিরোধ তীব্র আকার ধারণ করে। একপক্ষ তাঁর অপসারণ দাবি করে, অন্যপক্ষ তাঁর পক্ষে অবস্থান নেয়। একপর্যায়ে খতিববিরোধী পক্ষ তাঁকে আজীবনের জন্য বহিষ্কারের ঘোষণাও দিয়েছে বলে জানা গেছে।
আন্দোলনকারী মুসল্লিদের একাংশের দাবি, তাঁরা এমন একজন খতিব চান, যাঁর ব্যক্তিগত জীবন, ধর্মীয় আচরণ, দায়িত্ব পালনের পদ্ধতি ও আর্থিক বিষয়ে স্বচ্ছতার প্রতিফলন থাকবে। অন্যদিকে, খতিবের সমর্থকেরা তাঁর পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। ফলে বিরোধটি এখন কেবল একজন ব্যক্তির পদে থাকা বা না-থাকার প্রশ্নে সীমাবদ্ধ নেই; এর সঙ্গে মসজিদের পরিচালনব্যবস্থা ও মুসল্লিদের পারস্পরিক আস্থার বিষয়ও জড়িয়ে পড়েছে।
উভয় পক্ষের অভিযোগ ও বক্তব্য নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য প্রকাশ করা এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। বিরোধের মধ্যে মুফতি গোলাম মাওলা জাহিদের পদত্যাগের বিষয়টি আলোচনায় আসে। বরগুনার সহকারী পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. মুকিত হাসান খাঁনের বক্তব্য অনুযায়ী, মসজিদে বিশৃঙ্খলা এড়াতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাঁকে সাময়িকভাবে অব্যাহতি নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। পরে তিনি পদত্যাগপত্র জমা দেন, যা সংশ্লিষ্ট পরিচালনা কমিটির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ বিষয়ে সহকারী পুলিশ সুপার মো. মুকিত হাসান খাঁন বলেন, “খতিবকে কেন্দ্র করে একটা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হোক, এটা কারোরই কাম্য নয়। পরিস্থিতি শান্ত করার তাগিদে ইমাম সাহেবকে সাময়িক অব্যাহতির জন্য বলা হয়েছিল। তিনি ইতিমধ্যেই পদত্যাগ করেছেন। পদত্যাগপত্রটি সংশ্লিষ্ট পরিচালনা কমিটির নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে সংশ্লিষ্ট কমিটি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।”
এদিকে, সাম্প্রতিক বিরোধের মধ্যে মুফতি গোলাম মাওলা জাহিদকে ঘিরে ২০১৬ সালের একটি পুরোনো অভিযোগও নতুন করে আলোচনায় এসেছে। এনটিভির ৩ নভেম্বর ২০১৬ তারিখে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, অন্যের স্ত্রীকে বৈধ অভিভাবক সেজে হজে নেওয়া এবং ওই নারীকে তাঁর ইচ্ছার বিরুদ্ধে হজে পাঠানোর অভিযোগ উঠেছিল তাঁর বিরুদ্ধে। স্বামী-স্ত্রীকে একসঙ্গে হজে পাঠানোর কথা থাকলেও ওই নারীকে স্বামী ছাড়া একাই হজে যেতে বাধ্য করার অভিযোগও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। একই প্রতিবেদনে বলা হয়, হজে পাঠানোর নামে প্রতারণার অভিযোগে ওই নারী তাঁর বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছিলেন।
পুরোনো প্রতিবেদনটি পড়ুন: "এনটিভি—বরগুনায় ইমামের বিরুদ্ধে হজ প্রতারণার মামলা, ৩ নভেম্বর ২০১৬" নিউজ লিংক 👇 (https://www.ntvbd.com/bangladesh/89545/বরগুনায়-ইমামের-বিরুদ্ধে-হজ-প্রতারণার-মামলা)
বর্তমান বিরোধের মধ্যে পুরোনো অভিযোগটি সামনে আসায় বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আলোচনা সমালোচনা তৈরি হয়েছে। এ ক্ষেত্রে অতীতের অভিযোগ এবং সাম্প্রতিক বিরোধকে পৃথকভাবে বিবেচনা করে নথিভিত্তিক অনুসন্ধান করাই হবে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার পথ।
রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে অভিযোগ: মুফতি গোলাম মাওলা জাহিদকে ঘিরে স্থানীয় পর্যায়ে তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান ও বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে সম্পর্ক নিয়েও আলোচনা রয়েছে। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, বিভিন্ন সময়ে তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের পরিবর্তন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগকারীদের বক্তব্য অনুযায়ী, একসময় তিনি মুফতি জসীম উদ্দিন রহমানীর আদর্শ দ্বারা প্রভাবিত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরবর্তী সময়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আদর্শের প্রতি সমর্থন প্রকাশ করেছিলেন বলেও স্থানীয়দের একাংশ দাবি করেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের অনুসারী হিসেবে নিজেকে উপস্থাপন করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। বরগুনা সদরঘাট কেন্দ্রীয় জামে মসজিদকে ঘিরে অতীতের বিরোধের আলোচিত বিষয়গুলোর মধ্যে অন্যতম রয়েছে বরগুনার সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল আব্দুল খালেককে প্রকাশ্যে অপমান ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার ঘটনাটি। স্থানীয়ভাবে আলোচিত ওই ঘটনায় মসজিদের বর্তমান খতিব মুফতি গোলাম মাওলা জাহিদের এক স্বজনের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে দাবি করা হয়। ঘটনাটি বহু মানুষের উপস্থিতিতে ঘটেছিল এবং সে সময় বরগুনায় এ নিয়ে আলোচনা ও সমালোচনা হয়েছিল বলে স্থানীয়দের ভাষ্য।
এছাড়াও মাদ্রাসার জমি, হজ ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনা কমিটি নিয়ে প্রশ্ন: মসজিদ পরিচালনা কমিটির কার্যক্রম, মুফতি গোলাম মাওলা জাহিদের প্রতিষ্ঠিত বলে উল্লেখ করা মাদ্রাসার জমি, হজ ব্যবস্থাপনা এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তির সঙ্গে বিরোধ নিয়েও নানা অভিযোগ রয়েছে। সম্প্রতি তাঁর এক বক্তব্যে মাদ্রাসার জমি, মসজিদ পরিচালনা, কমিটির সঙ্গে বিরোধ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় উঠে এসেছে বলে জানা গেছে।
ছয়তলা ভবন নির্মাণ ও মসজিদ মার্কেটের অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা: সদরঘাট কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ভবন নির্মাণ ও আর্থিক ব্যবস্থাপনা নিয়েও অতীতে প্রশ্ন উঠেছিল। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালে মসজিদের ছয়তলা ভবন নির্মাণকাজের উদ্বোধন করা হয়। পরবর্তী সময়ে নির্মাণের নকশা পরিবর্তন, বাণিজ্যিক দোকান বরাদ্দ এবং আয়-ব্যয়ের হিসাব প্রকাশ নিয়ে মতবিরোধ দেখা দেয়। এ ছাড়া ২০২৩ সালে মসজিদ মার্কেটের একটি প্রতিষ্ঠানের ভাড়ার চুক্তি ও অর্থ লেনদেন নিয়ে আদালতে মামলা হয় বলে উল্লেখ রয়েছে। তবে মামলাটির নম্বর, বাদী-বিবাদীর পরিচয়, মামলার বিষয়বস্তু এবং বর্তমান বিচারিক অবস্থা যাচাই করা ছাড়া এর ফলাফল সম্পর্কে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যাবে না। এসব ঘটনা মসজিদের সম্পদ ব্যবস্থাপনা, দোকান বরাদ্দের নীতিমালা, নির্মাণ ব্যয় এবং দান-অনুদানের হিসাব নিয়ে স্বচ্ছতার দাবি সামনে এনেছে। অভিযোগকারীদের একাংশের দাবি, মসজিদকে কেন্দ্র করে ব্যক্তিগত প্রভাব বিস্তার এবং সম্পদ ব্যবস্থাপনায় জবাবদিহির ঘাটতি রয়েছে।
নির্মাণ ব্যয় ও দান-অনুদানের হিসাব প্রকাশের দাবি: মসজিদের আর্থিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিতর্কের অবসান ঘটাতে হিসাবের নথি প্রকাশের দাবি তুলেছেন মুসল্লিদের একাংশ। তাঁদের মতে, মসজিদের নির্মাণ ব্যয়, দান-অনুদান, দোকান ভাড়া এবং অন্যান্য আয়ের হিসাব নিয়মিতভাবে উপস্থাপন করা হলে সন্দেহ ও বিভ্রান্তি কমবে।
এ ক্ষেত্রে কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ:
- ছয়তলা ভবন নির্মাণে অনুমোদিত মোট বাজেট কত ছিল এবং প্রকৃত ব্যয় কত হয়েছে?
- নির্মাণের অর্থ কোন কোন উৎস থেকে এসেছে—মুসল্লিদের অনুদান, ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের দান, নাকি অন্য কোনো উৎস থেকে?
- নির্মাণের নকশা পরিবর্তন করা হয়ে থাকলে কে বা কারা অনুমোদন দিয়েছেন?
- মসজিদ মার্কেটের দোকান বরাদ্দের লিখিত নীতিমালা কী এবং বরাদ্দ কী প্রক্রিয়ায় দেওয়া হয়েছে?
- দোকানগুলোর ভাড়া ও অন্যান্য আয় কোন ব্যাংক হিসাব বা তহবিলে জমা হয়?
- ব্যয়ের বিল-ভাউচার, ব্যাংক বিবরণী, চুক্তিপত্র ও হিসাব নিরীক্ষার প্রতিবেদন সংরক্ষিত আছে কি না?
- আয়-ব্যয়ের হিসাব পরিচালনা কমিটির সভায় অনুমোদিত হয়েছে কি না এবং মুসল্লিদের সামনে তা উপস্থাপন করা হয় কি না???
এ প্রশ্নগুলোর উত্তর পেতে মসজিদের হিসাবের খাতা, ব্যাংক বিবরণী, দান-অনুদানের রসিদ, নির্মাণ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি, বিল-ভাউচার, দোকান বরাদ্দের নথি এবং আদালতের মামলাসংক্রান্ত কাগজপত্র পরীক্ষা করা প্রয়োজন। নিরপেক্ষ নিরীক্ষা এবং যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে হিসাব যাচাই করা হলে অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণ সহজ হবে। কোনো অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে তা বিধি অনুযায়ী নিষ্পত্তি করা যেতে পারে; আর অভিযোগের ভিত্তি না থাকলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অবস্থানও স্পষ্ট হবে। বর্তমান পরিস্থিতিতে মসজিদ পরিচালনা কমিটির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। খতিব নিয়োগ ও অপসারণের বিধি কী, সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য সভা ও কোরামের নিয়ম কী, মুসল্লিদের অভিযোগ গ্রহণের ব্যবস্থা রয়েছে কি না এবং আর্থিক হিসাব প্রকাশের নীতিমালা কী—এসব বিষয়ে স্পষ্টতা প্রয়োজন। মুসল্লিদের অভিযোগ গ্রহণ, উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনা এবং নিরপেক্ষভাবে বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য একটি স্বচ্ছ প্রক্রিয়া চালু করা হলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার সুযোগ তৈরি হতে পারে। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে আস্থা ফিরিয়ে আনা জরুরি: বরগুনা সদরঘাট কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ কেবল নামাজ আদায়ের স্থান নয়; এটি স্থানীয় মানুষের ধর্মীয় ও সামাজিক জীবনের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। এমন একটি প্রতিষ্ঠানে খতিবকে ঘিরে হাতাহাতি, পদত্যাগের প্রশ্ন, পরিচালনা কমিটির বিরোধ এবং আর্থিক স্বচ্ছতা নিয়ে বিতর্ক অব্যাহত থাকলে মুসল্লিদের পারস্পরিক আস্থা ও সামাজিক সম্প্রীতি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে ব্যক্তিগত পাল্টাপাল্টি বক্তব্য, রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে বিতর্ক কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযোগ ছড়ানোর পরিবর্তে নথিভিত্তিক তদন্ত ও প্রাতিষ্ঠানিক সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া জরুরি। সংশ্লিষ্ট পরিচালনা কমিটি, প্রশাসন, অভিযোগকারী মুসল্লি এবং খতিবের পক্ষের প্রতিনিধিদের বক্তব্য গ্রহণের মাধ্যমে বিরোধের প্রকৃত কারণ নির্ধারণ করা যেতে পারে। একই সঙ্গে মসজিদের আর্থিক হিসাব, দোকান বরাদ্দ, নির্মাণ ব্যয় ও জমিসংক্রান্ত নথি পর্যালোচনার উদ্যোগ নেওয়া হলে জনমনে থাকা প্রশ্নগুলোর উত্তর পাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে - বরগুনা সদরঘাট কেন্দ্রীয় জামে মসজিদকে ঘিরে দীর্ঘদিনের চলমান বিরোধের নিরপেক্ষ নিষ্পত্তি, আর্থিক স্বচ্ছতা, পরিচালনা কমিটির জবাবদিহি এবং খতিব নিয়োগ ও অপসারণে নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা এখন গুরুত্বপূর্ণ দাবি। মসজিদের মর্যাদা রক্ষা, মুসল্লিদের আস্থা ফিরিয়ে আনা এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি প্রতিষ্ঠার স্বার্থে সংশ্লিষ্ট সবার দায়িত্বশীল ভূমিকা এখন সময়ের দাবি।
সংযুক্তি - (News link) 👇
পুরোনো প্রতিবেদন: এনটিভি, ৩ নভেম্বর ২০১৬
#বরগুনা #সদরঘাট_জামে_মসজিদ #মুফতি_গোলাম_মাওলা_জাহিদ #বরগুনা_সংবাদ
দৈনিক শেষকথা Seshkatha News