পাথরঘাটা প্রতিনিধি: বরগুনার পাথরঘাটা পৌরসভার ৭ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডে আদালতের রায় ও ডিক্রির ভিত্তিতে জমির দখল বুঝিয়ে দিতে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনার সময় বাধা, মারধর ও মালামাল ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রায় পাঁচ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন জমির দাবিদার ওয়ারিশরা। গত বৃহস্পতিবার পাথরঘাটা প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন মামলার বাদীপক্ষের ওয়ারিশেরা। এতে প্রায় ২৫ জন ওয়ারিশ উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন নেপাল চন্দ্র শীল। পরে তাঁরা মানববন্ধন করেন।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, পাথরঘাটা উপজেলার ১২ নম্বর ঘুটাবাছা মৌজার ২৮০৯, ২৮৭৬ ও ২৮৮৭ নম্বর দাগের জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধের জেরে ২০০৯ সালে আদালতে মামলা হয়। ওয়ারিশদের দাবি, আদালত ২০১১ সালের ২৮ ডিসেম্বর রায় দেন এবং ২০১২ সালের ১৬ এপ্রিল চূড়ান্ত ডিক্রি জারি করেন। তাঁদের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই রায় ও ডিক্রির ভিত্তিতে চলতি বছরের ১০ অক্টোবর জমির দখল বুঝিয়ে দিতে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় প্রতিপক্ষের লোকজন বাধা দেন, মারধর করেন এবং ঢেউটিন, কাঠ, বাঁশ ও সাইনবোর্ডসহ বিভিন্ন মালামাল ভাঙচুর করেন বলে অভিযোগ করা হয়। ওয়ারিশদের দাবি, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার অনুরোধে অভিযান সাময়িকভাবে স্থগিত রেখে সংশ্লিষ্ট দল বরগুনায় ফিরে যায়। নেপাল চন্দ্র শীল দ্রুত জমি খালি করে তাঁদের বৈধ দখল বুঝিয়ে দেওয়ার দাবি জানান। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত পক্ষের তাৎক্ষণিক কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি!
দৈনিক শেষকথা Seshkatha News