মহিবউল্লাহ কিরন, বরগুনা প্রতিনিধি: বরগুনার পুলিশ সুপার মো. কুদরত-ই-খুদা'র কঠোর নির্দেশনার পর মাঠে নেমেছে আমতলী থানা পুলিশ। কিশোর গ্যাং ও মাদক নির্মূলে উপজেলাজুড়ে বিশেষ অভিযান শুরু করেছে পুলিশ। এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার রাতে ১১ জনকে আটক করা হয়েছে।
গত শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সন্ধ্যা থেকে রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত আমতলী পৌর শহরের বটতলা, গরু বাজার ও লঞ্চঘাট এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আটক ১১ জনের মধ্যে ৪ জন অপ্রাপ্তবয়স্ক, যাদের বয়স ১৮ বছরের নিচে। বাকি ৭ জনের বয়স ১৮ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে। তাদেরকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। যাচাই-বাছাই শেষে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এর আগে গত ১৬ অক্টোবর পাথরঘাটা উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে উন্নয়ন ও আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ ও বরগুনা-২ আসনের চারবারের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব নুরুল ইসলাম মনি। সভায় জেলা পুলিশ সুপার মো. কুদরত-ই-খুদা সহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ওই সভায় চিফ হুইপ বরগুনার প্রতিটি উপজেলাকে চাঁদাবাজ, মাদক ও কিশোর গ্যাং মুক্ত করতে পুলিশ সুপারকে কঠোর নির্দেশনা দেন। এ বিষয়ে আমতলী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ইয়াকুব হোসাইন বলেন, "জেলা পুলিশ সুপার মহোদয় আমতলীকে চাঁদাবাজ, মাদক ও কিশোর গ্যাং মুক্ত দেখতে চান। এ বিষয়ে আগামী দুই মাসের মধ্যে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে। তারই অংশ হিসেবে আজ অভিযান চালিয়ে ১১ জনকে থানা হেফাজতে আনা হয়েছে। যাচাই বাছাই শেষে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আমাদের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।"
দৈনিক শেষকথা Seshkatha News