আগের পদ্ধতিতে পরিষ্কারের দাবি স্থানীয়দের!
আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি: বরগুনার আমতলী উপজেলার চাওড়া নদী ও শাখা নদীর কচুরিপানা অপসারণের কাজ প্রায় এক মাস ধরে বন্ধ রয়েছে। এতে নদীতীরবর্তী কয়েকটি ইউনিয়ন ও আমতলী পৌরসভার বিপুলসংখ্যক মানুষ দুর্ভোগে পড়েছেন। নদীর কচুরিপানা পচে দুর্গন্ধ ছড়ানো ও পরিবেশ দূষণের অভিযোগও রয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১ কোটি ৯৩ লাখ টাকা ব্যয়ে ১৫ কিলোমিটার নদী পরিষ্কারের জন্য বরগুনা পানি উন্নয়ন বোর্ড ২০২৩ সালে ‘সুবন্দী প্রকল্প’ গ্রহণ করে। চলতি বছরের ৩১ আগস্ট কচুরিপানা অপসারণের কাজ শুরু হলেও প্রায় তিন কিলোমিটার পরিষ্কারের পর তা বন্ধ হয়ে যায়। দরপত্রের শর্ত অনুযায়ী কাজ না করার অভিযোগে ঠিকাদারকে নোটিশ দেওয়ার পর এ অচলাবস্থার সৃষ্টি হয় বলে জানা গেছে। কাজ বন্ধের প্রতিবাদে গত রবিবার (১৮ অক্টোবর) সকালে চাওড়া, হলদিয়া ও আমতলী সদর ইউনিয়নের স্থানীয় বাসিন্দারা সমাবেশ করেন। এতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীসহ অন্তত এক হাজার মানুষ অংশ নেন। বক্তারা দ্রুত কাজ পুনরায় চালু এবং কচুরিপানার গোড়াসহ অপসারণের দাবি জানান, যাতে তা দ্রুত আবার জন্মাতে না পারে।
আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান মো. হাফিজুর রহমান বলেন, দরপত্র অনুযায়ী নদীর কচুরিপানা পরিষ্কার করতে হবে; মেশিন দিয়ে অপসারণের সুযোগ নেই। পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী মো. আজিজুর রহমানও জানান, দরপত্রের বাইরে গিয়ে কাজ করার সুযোগ নেই। বরগুনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী হান্নান প্রধান বলেন, সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ দূর করতেই প্রকল্পটি নেওয়া হয়েছে। সরকারি সিডিউল অনুযায়ী কাজ সম্পন্ন করা হবে এবং কচুরিপানা যাতে পুনরায় জন্মাতে না পারে, সে লক্ষ্যেই কাজ করার চেষ্টা চলছে।
দৈনিক শেষকথা Seshkatha News