বরগুনার তালতলী উপজেলার সোবাহানপাড়া গ্রামে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে কুলসুম বেগম নামে এক নারীকে পিটিয়ে ডান হাত ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে। আহত অবস্থায় স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে তালতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৩ সালে কুলসুম বেগমের মা সুফিয়া বেগম ১০ শতাংশ জমি ক্রয় করেন। সেই জমিতে কুলসুম বেগম ও তার দুই ভাই দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছেন। অভিযোগ রয়েছে, গত প্রায় এক বছর ধরে কুলসুমের মামা খলিলুর রহমান মৃধা জমিটি নিজের দাবি করে দখলের চেষ্টা করে আসছেন।
ভুক্তভোগী ও স্থানীয়দের দাবি, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় খলিলুর রহমান মৃধা ওই জমিতে কাজ শুরু করলে কুলসুম বেগম বাধা দেন। এ সময় ক্ষিপ্ত হয়ে খলিলুর রহমান মৃধা ও তার ছেলে রেজাউল মৃধা কুলসুমকে মারধর করেন। এতে তার ডান হাত ভেঙে যায়।
আহত কুলসুম বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “আমাকে বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করতেই তারা আমাকে মারধর করে গুরুতর জখম করেছে। তাদের মারধরে আমার ডান হাত ভেঙে গেছে। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।”
তবে অভিযুক্ত খলিলুর রহমান মৃধা মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “উল্টো আমাকে মারধর করা হয়েছে।” কুলসুমের হাত ভাঙার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি দাবি করেন, “সে আগের দিন পড়ে গিয়ে হাতে ব্যথা পেয়েছে।”
এ বিষয়ে তালতলী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. শরীফুল ইসলাম বলেন, “ওই নারী থানায় এসেছিলেন। তাকে আগে চিকিৎসা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে আগে থেকেই জমি নিয়ে বিরোধ রয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
দৈনিক শেষকথা Seshkatha News