অনুসন্ধানী প্রতিবেদন: সরকারি নীতিমালা ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা উপেক্ষা করে বরগুনার বিভিন্ন উপজেলায় অবাধে কোচিং ও প্রাইভেট বাণিজ্য চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, সরকারি ও বেসরকারি বিদ্যালয়ের একাংশ শিক্ষক প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে এ কার্যক্রমে জড়িত থাকায় বিদ্যালয়ের নিয়মিত পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে এবং শিক্ষার্থীরা কোচিংনির্ভর হয়ে পড়ছে। সরেজমিনে, খোঁজ নিয়ে জানা যায় বরগুনা সদর-সহ আমতলীর বিভিন্ন এলাকাতে আবাসিক ভবন বা ভাড়া করা কক্ষে ব্যাচভিত্তিক কোচিং পরিচালনার তথ্য! এদের মধ্যে অনেক প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন বা অনুমোদনের তথ্যও মেলেনি ঠিকভাবে! অভিভাবকদের অভিযোগ, বিদ্যালয়ে মানসম্মত পাঠদান না হওয়ায় বাধ্য হয়ে সন্তানদের কোচিংয়ে পাঠাতে হচ্ছে, এতে মাসে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে। এদিকে আমতলীতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষকের পরিচালিত কোচিং সেন্টার নিয়েও স্থানীয়দের অভিযোগ রয়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও বক্তব্য পাওয়া যায়নি-
এ বিষয়ে বরগুনা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবু জাফর মো. ছালেহ বলেন, কোচিং বাণিজ্যের সঙ্গে কোনো শিক্ষক জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে তদন্ত করে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সচেতন মহল ও শিক্ষাবিদরা বলছেন, শ্রেণিকক্ষে মানসম্মত পাঠদান নিশ্চিত, অবৈধ কোচিং সেন্টারের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান এবং অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করলেই কোচিংনির্ভরতা কমিয়ে শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনা সম্ভব।
দৈনিক শেষকথা Seshkatha News