বেতাগী প্রতিনিধি: আর্থিক অনিয়ম ও বিদ্যালয় চলাকালে অবৈধ কোচিং করানোর অভিযোগে অভিভাবকদের প্রতিবাদের মুখে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে সংগৃহীত বিতর্কিত অর্থ ফেরত দিয়েছেন বরগুনার বেতাগী উপজেলার ১৩ নং গ্রেড-লক্ষ্মীপুরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মোস্তাফিজুর রহমান। অভিভাবকদের অভিযোগ, বিদ্যালয়ের ইউনিফর্ম তৈরির নামে ১২০ জন শিক্ষার্থীর কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হয়। এ ছাড়া ২০২৫ সালে বিদ্যালয়ের নিয়মিত সময়ে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে প্রাইভেট কোচিংয়ের জন্য জনপ্রতি এক হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মনির হোসেনের নেতৃত্বে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি মাঠপর্যায়ে তদন্ত করে। এ সময় অভিভাবকদের সঙ্গে প্রধান শিক্ষকের বিতর্কের সৃষ্টি হয়। পরে তদন্ত কমিটির নির্দেশনায় বিতর্কিত অর্থ ফেরত দেওয়া হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। তবে প্রধান শিক্ষক মো. মোস্তাফিজুর রহমান অভিযোগগুলোকে মিথ্যা অপপ্রচার দাবি করে বলেন, অভিভাবকদের সন্তুষ্ট করতে তদন্ত কমিটির অনুরোধে তিনি টাকা ফেরত দিয়েছেন।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. নিজাম উদ্দিন জানান, প্রধান শিক্ষক বিতর্কিত অর্থ ফেরত দিয়েছেন। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুর্নীতি বা আর্থিক অনিয়মের কোনো সুযোগ নেই বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
দৈনিক শেষকথা Seshkatha News