আমতলী প্রতিনিধি: বরগুনার আমতলী উপজেলার আড়পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নে ইলিশ শিকারে নিষেধাজ্ঞাকালীন জেলেদের জন্য বরাদ্দ করা ভিজিএফের চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নিবন্ধিত জেলেদের অভিযোগ, বরাদ্দের ৪০ টন চালের মধ্যে ৬ টন বিতরণ না করে আত্মসাৎ করা হয়েছে। এতে শতাধিক নিবন্ধিত জেলে সহায়তার চাল না পেয়ে খালি হাতে ফিরে গেছেন। জেলেদের দাবি, ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেন ও কয়েকজন ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে এ অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। তবে অভিযুক্ত কর্মকর্তা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। জানা গেছে, আড়পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের ১ হাজার ৬০০ জেলের জন্য ৪০ টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, খাদ্যগুদাম থেকে ৩৪ টন চাল ছাড় করা হয়েছে। জেলে জালাল, খলিল ও নাশির মাল অভিযোগ করেন, তালিকায় নাম না থাকার অজুহাতে ১, ৩ নম্বর ওয়ার্ডসহ বিভিন্ন এলাকার নিবন্ধিত জেলেদের চাল দেওয়া হয়নি।
অন্যদিকে, ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. বশির হাওলাদার দাবি করেন, তাঁর ওয়ার্ডের তালিকাভুক্ত ২৭০ জন জেলেই চাল পেয়েছেন। ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেন অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, সব জেলের মধ্যে চাল বিতরণ করা হয়েছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রাসেলও জানান, চাল পাননি—এমন কারও অভিযোগ তিনি পাননি। ভুক্তভোগী জেলেরা বিতরণ তালিকা, স্বাক্ষর ও টিপসই যাচাই করে ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
দৈনিক শেষকথা Seshkatha News