বরিশাল প্রতিনিধি: বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার বাসিন্দা রুহুল আমিনের বিরুদ্ধে চার জেলায় ১৪টি বিয়ে করে নারী ও শিশু পাচারের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, বিয়ের প্রলোভন ও চাকরির আশ্বাস দিয়ে নারীদের নিয়ে যাওয়ার পর কৌশলে তাঁদের পাচার করতেন তিনি। তাঁর বিরুদ্ধে মানবপাচার, অপহরণ ও হত্যা-সংক্রান্ত ছয়টি মামলা থাকার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজর এড়াতে একসময় মসজিদের খাদেম হিসেবেও আত্মগোপনে ছিলেন রুহুল আমিন। তাঁর ফোনের কল ডিটেইলস রেকর্ড (সিডিআর) অনুযায়ী, সর্বশেষ ২০২৫ সালের ৬ অক্টোবর তাঁকে ঢাকার গাজীপুর এলাকায় অবস্থান করতে দেখা যায় বলে দাবি করা হয়েছে।
এর আগে, ২০১৩ সালের ৭ নভেম্বর প্রকাশিত সংবাদে জানা যায়, নারী ও শিশু পাচারের অভিযোগে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) তাঁকে বরগুনা শহর থেকে গ্রেপ্তার করে। তাঁর বিরুদ্ধে স্ত্রী নাসিমা বেগম ও তিন সন্তানসহ একাধিক নারীকে অপহরণ এবং চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাচারের অভিযোগ ছিল। ২০১০ সালে নাসিমা বেগম ও তাঁর তিন সন্তান নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়। নাসিমার পরিবারের অভিযোগ ছিল, ঢাকায় যাওয়ার কথা বলে তাঁদের নিয়ে যান রুহুল আমিন। একইভাবে চাকরির আশ্বাসে এক তরুণীকে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগেও তাঁর বিরুদ্ধে মামলা হয়। আরেক নারী অভিযোগ করেন, বিয়ের পর তাঁর স্বর্ণালংকার বিক্রি করে টাকা নিয়ে যান রুহুল---
দৈনিক শেষকথা Seshkatha News