বরগুনায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) আওতাধীন প্রায় ৫০০ কিলোমিটার পাকা সড়ক খানাখন্দে পরিণত হয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাব, নিম্নমানের কাজ ও অপরিকল্পিত পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থাকে দায়ী করছেন স্থানীয়রা। সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কের গর্তে পানি জমে যানবাহন চলাচলে বাড়ছে ঝুঁকি।
জেলার গুরুত্বপূর্ণ আমতলী-তালতলী-সোনাকাটা ৩৮ কিলোমিটার সড়কের প্রায় ২২ কিলোমিটার অংশেও সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্ত। এতে বাস, ট্রাক, অটোরিকশা ও মোটরসাইকেল চালকদের দুর্ভোগের পাশাপাশি দুর্ঘটনাও ঘটছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিবছর সড়ক সংস্কারে অর্থ ব্যয় হলেও স্থায়ী সমাধান হচ্ছে না। পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় সংস্কারের পরও দ্রুত সড়ক নষ্ট হয়ে যায়।
এলজিইডি সূত্রে জানা গেছে, বরগুনায় সংস্থাটির অধীনে মোট ১ হাজার ৪৯৫ কিলোমিটার পাকা সড়ক রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৫০০ কিলোমিটার সংস্কার প্রয়োজন। এসব সড়ক সংস্কারে প্রায় ২৫০ কোটি টাকা প্রয়োজন হলেও ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বরাদ্দ রয়েছে ৪০ কোটি টাকা। এর মধ্যে ২৮ কোটি টাকা আগের অর্থবছরের কাজের বকেয়া পরিশোধে ব্যয় হবে। ফলে নতুন সংস্কারে থাকছে মাত্র ১২ কোটি টাকা।
বরগুনা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মেহেদী হাসান খান বলেন, সাধারণত প্রতি তিন বছর পর পাকা সড়ক সংস্কার প্রয়োজন হয়। জেলার প্রয়োজনীয় সড়ক সংস্কারে প্রায় ২৫০ কোটি টাকা দরকার। অতিরিক্ত বরাদ্দ চেয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে ক্ষতিগ্রস্ত সড়কগুলো পর্যায়ক্রমে সংস্কার করা হবে।
দৈনিক শেষকথা Seshkatha News