প্রিন্ট এর তারিখঃ Sep 12, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Aug 10, 2026 ইং
বরগুনা সদরের চাড়াভাঙ্গা গ্রামের সড়ক যেন কাদার সাগর: দুর্ভোগে বাসিন্দারা

বরগুনা প্রতিনিধি: বরগুনা সদর উপজেলার বালিয়াতলী ইউনিয়নের চাড়াভাঙ্গা গ্রামের প্রধান সড়কের বেহাল দশায় চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন এলাকাবাসী। দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কটি কাদায় পরিণত হয়। এতে ব্যাহত হচ্ছে মানুষের স্বাভাবিক চলাচল। দ্রুত সড়কটি সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। স্থানীয়রা জানান, চাড়াভাঙ্গা গ্রামের মানুষের চলাচলের অন্যতম প্রধান সড়ক এটি। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে সড়কটির বিভিন্ন অংশ নাজুক হয়ে পড়েছে। বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টির পানি জমে সড়কের অনেক অংশ কর্দমাক্ত হয়ে যায়। ফলে যানবাহন তো দূরের কথা, হেঁটে চলাচল করাও কঠিন হয়ে পড়ে। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়তে হয় শিক্ষার্থী, নারী, বয়স্ক ও অসুস্থ ব্যক্তিদের। সড়কের কাদা ও পানি মাড়িয়ে প্রতিদিন বিদ্যালয়ে যাতায়াত করতে হয় শিক্ষার্থীদের। স্কুলছাত্রী ফাহিমা আক্তার বলেন, “প্রতিদিন এই কাদামাখা রাস্তা দিয়ে স্কুলে যেতে খুব কষ্ট হয়। বর্ষার সময় অনেক সময় রাস্তায় পড়ে গিয়ে বই-খাতা নষ্ট হয়ে যায়।”
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে সড়কটির এমন অবস্থা চললেও স্থায়ী সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। বর্ষা এলেই দুর্ভোগ কয়েকগুণ বেড়ে যায়। এতে এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভও বাড়ছে। বালিয়াতলী ইউপি সদস্য মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, সড়কটির বেহাল অবস্থার বিষয়টি তিনি অবগত আছেন। এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে সড়কটি সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হবে। এ বিষয়ে বরগুনা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) জ্যেষ্ঠ সহকারী প্রকৌশলী শ্যামল কুমার গাইন বলেন, বরগুনা সদর উপজেলায় গ্রামীণ সড়ক এ ও বি ক্যাটাগরিতে প্রায় এক হাজার কিলোমিটার সড়ক রয়েছে। এর একটি বড় অংশ এখনো কাঁচা। বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে ধাপে ধাপে এসব সড়ক পাকা করা হচ্ছে। চাড়াভাঙ্গার সড়কটির গুরুত্ব বিবেচনা করে কোনো প্রকল্পের আওতায় বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে। স্থানীয়দের দাবি, প্রকল্প ও বরাদ্দের অপেক্ষায় দীর্ঘদিন ফেলে না রেখে দ্রুত সড়কটির সংস্কার করা হোক। এতে একদিকে যেমন সাধারণ মানুষের চলাচলের দুর্ভোগ কমবে, অন্যদিকে শিক্ষার্থী ও রোগীদের যাতায়াতও সহজ হবে।
© Copyright © dailyseshkatha © Seshkatha News24 © 2026 all rights reservered